পবিত্র কুরআনের হাফেজ ও এতিমদের সম্মানে প্রতিবছরের ন্যায় ইফতার মাহফিল ও ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে বোনানজা ক্লাব। একই সঙ্গে আয়োজন করা হয় ক্লাবের ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন ও বিশেষ বার্ষিক সম্মাননা-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠান।

৩ মার্চ, মঙ্গলবার নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন— লায়ন্স স্কলারশিপ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান লায়ন মোস্তাক হোসাইন, আইআইইউসি’র প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. হাসমত আলী, ক্লাবের উপদেষ্টা ও তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সভাপতি আবু তালেব এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজে ভূমিকার জন্য আল্লামা আবুল খাইর ফাউন্ডেশন ও কর্ণফুলী ইয়ুথ ফাউন্ডেশন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এনামুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক যুগ্ম পরিচালক বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, ক্লাবের উপদেষ্টা ও তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির উপদেষ্টা মাহমুদুল হক, ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল হক ডিউক, কিষোয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার ড. নুরশেদুল মামুন, সরকারি হাজী আবদুল বাতেন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াছ এবং ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চট্টগ্রামের প্রিন্সিপাল অধ্যক্ষ আসাদ উল্লাহ আদিল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোনানজা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রজেক্ট বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক শফিউল হাসান চৌধুরী। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্লাব সেক্রেটারি আতহার শিহাব জাকি ও প্রজেক্ট বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব তানবিরুল ইসলাম তুষার।মোনাজাত পরিচালনা করেন বন্দরটিলা আলী শাহ সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাওলানা মহিউদ্দিন মাহবুব।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. হাসমত আলী বলেন, আত্মকেন্দ্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নিবেদিত তরুণ-যুবকরা স্বেচ্ছায় যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। যুক হতে যুগান্তর পথচলা মসৃণ হোক।
প্রফেসর ড. এনামুল হক বলেন, মাহে রমাদানের প্রকৃত শিক্ষার প্রতিচ্ছবি বোনানজার মানবিক কার্যক্রম এ ফুটে উঠে। বোনানজার ৮ম বর্ষপূর্তি সফল হোক ও উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করছি।
এছাড়া অন্যান্য বক্তারা বলেন, সমাজের অবহেলিত হাফেজ ও এতিমদের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসএস



