জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে আগামী ৫ মাসের মধ্যে বিএনপিকে ‘পালানোর পথ খুঁজতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়ন হলে ‘বিএনপির আম্বা-খাম্বা ঠিকাদারি বন্ধ হয়ে যাবে’।
১ আগস্ট, শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ মোড়ে ‘জুলাইয়ে গণহত্যাসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের’ দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দেশে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হলে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং দুর্নীতিবাজ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সংস্কারের পথে না গিয়ে দলীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনা করছে।
[ad_OwixA1az]বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগে গুলশানে ‘হাওয়া ভবন’ ছিল, এখন জেলা-উপজেলায় ‘হাওয়া ভবন’ তৈরি হয়েছে। কোটা ব্যবস্থা আগেও ছিল, এখনও আছে; তবে এর ধরন বদলেছে। সচিবালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নয়, কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। তাই তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না। তাঁর ভাষ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে দেশে চাঁদাবাজি কমে আসবে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টন ময়দানে ১১ দলের সমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ওই আন্দোলনের মাধ্যমে ‘খুনি, দুর্নীতিবাজ ও নব্য ফ্যাসিবাদের পতন’ ঘটিয়ে দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।
এ সময় তিনি জুলাই আন্দোলনের মতো আগামীতে কর্মসূচিতে অংশ নিতে চট্টগ্রামের মানুষকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শাহজাহান, নগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি নুরুল আমিন, সহকারী সেক্রেটারি মাহমুদ উল্লাহ এবং জুলাই আন্দোলনে নিহত ফয়সাল আহমদ সান্তের বাবা। এছাড়া দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসএস
[ad_ujVHoYsI]
