বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
[ad_m4LjshC9]

নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো জাপানের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক পেট্রোল বোট

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে জাপান সরকারের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট।

২ জুলাই, বৃহস্পতিবার জাপানের অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (Official Security Assistance-OSA) কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত পাঁচটি পেট্রোল বোট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

[ad_OwixA1az]

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি । এছাড়া জাপানের প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই বছরের নভেম্বরেই নোট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত পেট্রোল বোটগুলো গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীক -এ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। নৌবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার , গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার এবং ধারণক্ষমতা ১৩ দশমিক ৫ টন। বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। বিশেষভাবে কম গভীরতাসম্পন্ন নদী, মোহনা ও উপকূলীয় জলপথে চলাচলের উপযোগী এসব উচ্চগতির পেট্রোল বোট দেশের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে আরও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করবে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, নতুন সংযোজিত এই বোটগুলো সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিয়মিত টহল ও নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, জাপানের অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (OSA) কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এসএস

[ad_ujVHoYsI]

[ad_nfYePqtZ]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত