শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

‘সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি’ জঙ্গল সলিমপুরে ভোরের থেকে যৌথবাহিনীর অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফজরের আগেই চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়ে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে।

৯ মার্চ, সোমবার দিবাগত রাতেই এলাকার সবগুলো প্রবেশমুখ ঘিরে ফেলে পুলিশ ও বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা। পরে ফজরের আগ মুহূর্তে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে তারা জঙ্গল সলিমপুরের ভেতরে প্রবেশ করে অভিযান শুরু করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শুরু হওয়া এই অভিযান সোমবার ভোর থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।

অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রায় ৮০০ সদস্য এবং রেঞ্জ পুলিশের প্রায় ৭০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি যৌথবাহিনীর এই অভিযানে র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও যুক্ত রয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে ‘বড় সাজ্জাদ’-এর বাহিনীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় তার অনুসারীদের শক্ত অবস্থান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া এলাকায় ইয়াসিন গ্রুপ, রোকন গ্রুপ ও রিদোয়ান গ্রুপসহ একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের সক্রিয়তা রয়েছে। এর মধ্যে ইয়াসিন গ্রুপকে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এলাকাটির বড় অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

গত ১৯ জানুয়ারি কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ে র‍্যাব সদস্যরা। এ সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে র‍্যাবের দুটি মাইক্রোবাস ধাওয়া করা হয় এবং গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা কয়েকজন র‍্যাব সদস্যকে মারধর করে এবং তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব–৭-এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন এবং আরও তিনজন সদস্য আহত হন।

এসএস

[Image not available]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত