চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে শ্রমিকদের তৃতীয় দিনের কর্মসূচি চলছে।

২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকাল আটটা থেকে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।

তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস স্বাভাবিক রয়েছে।
বারিকবিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা গেছে, বন্দরের গেইটগুলো খোলা। গাড়ি প্রবেশ করছে না, বেরও হচ্ছে না। অলস সময় কাটাচ্ছেন বন্দরের নিরাপত্তা রক্ষী ও পুলিশ সদস্যরা।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেছেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আমাদের কর্মসূচি চলছে। সিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্দর এলাকায় আমরা মিছিল সমাবেশ দিইনি।
বন্দরে তিন দিন আট ঘণ্টা করে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ আন্দোলনে জড়িত অন্তত ১৬ জন কর্মচারীকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটি ও কমলাপুর আইসিডিতে বদলি করেছে।
এসএস



