আজ ৯ আগস্ট, রোববার সকালে বিমান বাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দিনের পরবর্তী কর্মসূচি শেষে দুপুরের পর তাঁর চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র গুলো জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়িতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাঁকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত করা হয়েছে হেলিপ্যাড। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বাবুনগর মাদরাসা।
[ad_OwixA1az]বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বাবুনগর মাদরাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এ সময় হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রায় ৫০ জন নেতার সঙ্গে তাঁর মতবিনিময়ের কথা রয়েছে। হেফাজতের পক্ষ থেকে এ সাক্ষাৎকে অরাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাক্ষাতের সুযোগে হেফাজতে ইসলামের নির্দিষ্ট কিছু দাবির বাহিরেও ফটিকছড়ির স্থানীয় উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিয়েছেন স্থানীয় নেতারা।
তাঁদের পক্ষ থেকে সরকারি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা, কয়েকটি কলেজ সরকারিকরণ, স্থানীয় জনগণের জন্য গ্যাসের সুবিধা নিশ্চিত করা, চা ও রাবার বাগানে গ্যাস-সংযোগ এবং খাসজমিতে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার দাবি তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বাবুনগর মাদরাসা ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাঁদের প্রত্যাশা, আলেম ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে ফটিকছড়ির দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
ফটিকছড়ির কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে হাটহাজারীর উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে। সেখানে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও প্রয়াত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপি।
এসএস
[ad_ujVHoYsI]
