মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
[ad_m4LjshC9]

সদর দপ্তর নিয়ে ফটিকছড়িতে ত্রিমুখী প্রতিক্রিয়া, হরতাল ও আনন্দ মিছিল

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

নবগঠিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুরে নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ছয় ইউনিয়নে ত্রিমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একদিকে সদর দপ্তর পুনর্নির্ধারণের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাটে টানা হরতাল চলছে। অন্যদিকে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ভূজপুরে আনন্দ মিছিল হয়েছে।

একই সময়ে নতুন উপজেলায় অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

[ad_OwixA1az]

গত ৮ জুলাই প্রকাশিত সরকারি গেজেটে পশ্চিম ভূজপুর মৌজাকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই তিন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের একটি অংশ সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার দাবিতে হরতাল, মহাসড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন।

তাদের দাবি, বর্তমান অবস্থানে সদর দপ্তর হলে উপজেলার একটি বড় অংশের মানুষের প্রশাসনিক সেবা পেতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়কারী নুরুল আমিন আজাদ বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় সদর দপ্তরের স্থান পুনর্বিবেচনা করা উচিত। দাবি মেনে নিলে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে।

অন্যদিকে রোববার বিকেলে ভূজপুরে চার ইউনিয়নের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারের গেজেট অনুযায়ী দ্রুত প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করা উচিত। হরতাল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।

এদিকে সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দারা নতুন উপজেলায় অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা অব্যাহত রেখেছেন। তাঁদের দাবি, বর্তমান উপজেলা সদর তুলনামূলক কাছাকাছি হওয়ায় নতুন ব্যবস্থায় মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. মনজুরুল কিবরীয়া বলেন, জনমত ছাড়াই সুয়াবিলকে নতুন উপজেলায় যুক্ত করা হয়েছে, যা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এসএস

[ad_ujVHoYsI]

[ad_nfYePqtZ]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত