জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার গুজবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট ও বিবিরহাট এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে হঠাৎ ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।

৬ মার্চ, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে স্থানীয় তেলের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
স্থানীয় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা জানান, তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনার খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে আগাম জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাম্পে ভিড় করছেন।

নাজিরহাট এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশনের মালিক জানান, হঠাৎ ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় তেলের মজুত দ্রুত শেষ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এভাবে চললে সাময়িকভাবে তেল সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পরিচিতজনের কাছ থেকে তেলের দাম বাড়ার খবর শুনে অনেকেই আগাম জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাম্পে এসেছেন।
স্থানীয় এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার খবর দেখে আগেই কিছুটা বেশি তেল নিয়ে রাখছি।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক অস্থিরতা, সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)এর প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম কার্যকর হলে মোটরসাইকেল দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেট কার ১০ লিটার, মাইক্রোবাস ২০–২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাস ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক ২০০–২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নিতে পারবে। এ ছাড়া প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয়ের রশিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বা এসব নিয়ম কার্যকরের বিষয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এসএস



