শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

লেবুর দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

রমজান শুরুর পর থেকেই চট্টগ্রামের বাজারে লেবুর দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় চারগুণ বেড়েছে দাম। ফলে ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ এই পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও অলিগলির ভ্রাম্যমাণ দোকান ঘুরে দেখা যায়, দুই সপ্তাহ আগেও যেখানে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে এখন ছোট লেবুর হালিও ৬০ থেকে ১০০ টাকার নিচে মিলছে না। মাঝারি ও বড় আকারের লেবুর দাম উঠেছে ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। দরদাম করে অনেক ক্রেতাকে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় কিনতে দেখা গেছে।

১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর নগরের বহদ্দারহাট, চকবাজার ও কাজীর দেউড়ি এলাকায় প্রতি পিস লেবুর দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা হাঁকতে দেখা গেছে। দর-কষাকষির পর এক ক্রেতা দুটি লেবু ৯০ টাকায় কিনেছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক জায়গায় লেবুর সরবরাহ কম। কোথাও কোথাও লেবু নেই বললেই চলে। যে লেবু পাওয়া যাচ্ছে তার অনেকগুলোই পরিপক্ব নয়। তুলনামূলক কম দামের লেবুতে রস কম থাকার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ সংকটের কারণে পাইকারি বাজারেই বেশি দামে লেবু কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। তাদের দাবি, রমজানকে কেন্দ্র করে বাড়তি দামের আশায় কিছু চাষি আগেভাগে লেবু বাজারে ছাড়ছেন না। একই সঙ্গে কিছু পাইকার লেবু মজুত রাখছেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বহদ্দারহাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা ১২০ টাকা হালিতে লেবু বিক্রি করছেন। অন্যদিকে কিছু দোকানে তুলনামূলক পাকা লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। হামজারবাগ সড়কের মুখে ছোট আকারের লেবু ৮০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। বিকেল পর্যন্ত এর চেয়ে কম দামে লেবু মিলেনি।

বিক্রেতাদের মতে, রমজানে লেবুর শরবতের চাহিদা বাড়ার আগাম প্রভাব বাজারে পড়েছে। ফলে রোজা শুরুর আগেই দাম বাড়ায় নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনীয় এই পণ্য কিনতেও এখন হিসাব কষতে হচ্ছে।

এসএস

[Image not available]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত