শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

ফটিকছড়িতে আরো দু’টি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেছেন, উন্নয়নের দিক থেকে ফটিকছড়ি এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি এ উপজেলার অন্যতম বড় সমস্যা।

তিনি বলেন, পুরো ফটিকছড়ি উপজেলায় মাত্র একটি ফায়ার স্টেশন রয়েছে, যা এই বিশাল এলাকার জন্য একেবারেই অপ্রতুল। আয়তনের দিক থেকে ফটিকছড়ি প্রায় ফেনী জেলার সমান হলেও সেই অনুপাতে এখানকার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছে না। ফলে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় সময়মতো উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অধ্যক্ষ নুরুল আমিন ফটিকছড়ির দক্ষিণ ও উত্তরে দ্রুত দুটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের জন্য বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবান ও সমাজের সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

১৭ জানুয়ারি, শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ ফটিকছড়ির আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ নিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

এর আগে ১৬ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবারদুপুরে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়টি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। খবর পেয়ে অধ্যক্ষ নুরুল আমিন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার, চট্টগ্রাম মহানগরী শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি ও ফটিকছড়ি উপজেলা শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি আবদুর রহিম, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক ওসমান গনি, আব্দুল্লাহপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এসএস

[Image not available]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত