হাটহাজারীতে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুস গণি চৌধুরীর রাজনৈতিক সক্রিয়তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি আবারও মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে তৎপরতা বাড়িয়েছেন।
সূত্রগুলো জানায়, অনলাইনে নভেম্বর মাসে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সরব থাকার পর বর্তমানে তিনি নীরবে সাংগঠনিক কার্যক্রমে মনোযোগ দিচ্ছেন। গোপন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, তাদের সাহস ও দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং আন্দোলন-সংক্রান্ত প্রস্তুতির কথা আলোচনায় আসছে। একই সঙ্গে নির্বাচনকে সামনে রেখে অর্থের যোগান দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।
একাধিক সূত্র আরও জানায়, রাজপথে নেমে আন্দোলন করতে গিয়ে কেউ গ্রেফতার হলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে নেতাকর্মীরা ইউনুস গণি চৌধুরীর নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন—কখন কী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে, তা জানতে।
এদিকে বিভিন্ন গোপন বৈঠকেও ইউনুস গণি চৌধুরীর নাম বারবার আলোচনায় উঠে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব বিষয়ে তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ইউনুস গণি চৌধুরী ২১ মে ২০২৪ তারিখে হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১২ জুন শপথ গ্রহণের পর ৩০ জুন দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। তবে ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগ পর্যন্ত তিনি মাত্র ৩৫ দিন দায়িত্ব পালন করেন।
হাটহাজারীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ইউনুস গণি চৌধুরীর এই সম্ভাব্য সক্রিয়তা ঘিরে নতুন করে কৌতূহল ও জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।


এসএস


