শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

তাবিজে ফল না পাওয়ায় বৈদ্যকে গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফটিকছড়িতে আবুল মনসুর বৈদ্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোহাম্মদ মুছা (৪২)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার বিবিরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আহমদ ছাফার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৮ আগস্ট সকালে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আদর্শ গ্রামে নিজের ঘর থেকে মনসুরের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনসুর পেশায় বৈদ্য ছিলেন এবং তাবিজ ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তান্ত্রিক চিকিৎসা দিতেন।
জানা গেছে, মুছা ও তার পরিবার বিভিন্ন সময় মনসুরের কাছ থেকে তান্ত্রিক সেবা নিয়েছিলেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে মনসুরকে হত্যার হুমকিও দেন মুছা।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাজহারুল ইসলাম বলেন, গত ৬ আগস্ট রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে মুছা ও তার এক সহযোগী মনসুরের ঘরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাবিজ–টোনার বিষয়ক বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় মুছার অবস্থান শনাক্ত করে এবং গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মুছা  হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আহমদ বলেন, গ্রেফতার মুছা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অপর সহযোগীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আয়শা বেগম বাদী হয়ে ৮ আগস্ট রাতে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে।

[Image not available]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত