মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬
[ad_m4LjshC9]

এরদোয়ানের সঙ্গে সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ, যে আলোচনা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ফোনালাপে তারা অঞ্চলের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ৪ আগস্ট, মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, আলাপের সময় এরদোয়ান লোহিত সাগরে জাহাজে হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি সৌদি নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনকে স্বাগত জানান এবং এর লক্ষ্য অর্জনে সাফল্য কামনা করেন।

এর আগে হুথিরা চারটি সৌদি ট্যাঙ্কার এবং জিজান ও ইয়ানবুসহ সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। গোষ্ঠীটির এসব হামলার পর লোহিত সাগরে নৌচলাচল সুরক্ষিত রাখতে দেশটি একটি বহুজাতিক জোট গঠন করে।

[ad_OwixA1az]

৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, যৌথ সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলো ভারত মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে সংযুক্তকারী কৌশলগত সামুদ্রিক করিডোরের অন্তর্ভুক্ত তিনটি জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের পথ সুরক্ষিত রাখার অঙ্গীকার করেছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, এ পদক্ষেপ এমন এক সময় নেওয়া হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। প্রণালিটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, এ পথ দিয়ে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হতো।

এ ছাড়া, সাম্প্রতিক উত্তেজনার জেরে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধারা বাব আল-মান্দেব, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরীয় নৌপথে বারবার হামলা চালিয়ে আসছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জোটটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আয়োজিত বৈঠকে আমন্ত্রিত ৫১টি দেশের মধ্যে ৪৩টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিল। লোহিত সাগরে ইইউর ইতোমধ্যেই ‘অ্যাসপিডেস’ নামে একটি নৌ-নিরাপত্তা মিশন রয়েছে। ফলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটটি কীভাবে ভিন্ন ভূমিকা পালন করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

জানা গেছে, তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিশর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, বাংলাদেশ, ইয়েমেন, সুদান ও কমোরোস এ জোটের স্বাক্ষরকারী দেশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানকেন্দ্রিক সংঘাতের কারণে একই ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এ জোটে যোগ দেয়নি।

সূত্র: আল জাজিরাি

এসএস

[ad_ujVHoYsI]

[ad_nfYePqtZ]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত