চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সমাজ পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। দেশপ্রেম, জাতীয় চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও নৈতিক আদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠায় সাংস্কৃতিক কর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
২৩ জুন, মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, একটি জাতির পরিচয় ও শক্তির অন্যতম ভিত্তি তার সংস্কৃতি। অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে নিজস্ব কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও জাতীয় মূল্যবোধকে ধারণ করতে হবে। সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি ও অন্ধকার দূর করা সম্ভব।
[ad_OwixA1az]তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামে সুস্থধারার সংস্কৃতির বিকাশ এবং সংস্কৃতিকর্মীদের কল্যাণে সিটি করপোরেশন সবসময় পাশে থাকবে।
সভায় চট্টগ্রামের শিল্পী, গায়ক, বাদক, নাট্যকর্মী, কবিয়াল, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট, চট্টগ্রাম জেলার ৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি দিলশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং হ্যাপি চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় সংসদের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুগ্ম মহাসচিব ও কবি-অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী।
এ সময় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নছরুল কদির, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, সদস্য মামুনুল ইসলাম হুমায়ূনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএস
[ad_ujVHoYsI]
