শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬
[ad_m4LjshC9]

সৌদিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৭৬০ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। ৭ জুন, রোববার সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিবৃতি আরও বলা হয়েছে, গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৭৬০ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ৪ হাজার ৬০ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে ২ হাজার ৫৭৪ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১ হাজার ১২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থা যৌথ অভিযান চালিয়ে এই প্রবাসীদের গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় ১ হাজার ১৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[ad_OwixA1az]

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ইথিওপিয়ান ৭০ শতাংশ, ২৮ শতাংশ ইয়েমেনি ও বাকি ২ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। একই সময়ে অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করায় আরও ২৫ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে কর্তৃপক্ষ।

পাশাপাশি আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন এবং আশ্রয় দেওয়ায় সৌদিতে বসবাসরত ১৬ ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই সপ্তাহে ৪ হাজার ৬৯০ জন অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আর ১৪ হাজার ৪৯৫ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে ভ্রমণ নথিপত্র সংগ্রহের জন্য তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। বহিষ্কারের আগে ভ্রমণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও ৮৫০ জনকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ২১ হাজার ৭৭৪ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যাদের মধ্যে ২০ হাজার ৪৫৫ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৩১৯ জন নারী রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, নথিপত্রহীন ব্যক্তিদের অবৈধ প্রবেশ, চলাচল বা আশ্রয় প্রদানে সহায়তা করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। সৌদি আইন অনুযায়ী, অপরাধীদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং এই অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। কর্তৃপক্ষ রাজ্যজুড়ে চালু থাকা জরুরি হটলাইনগুলোর মাধ্যমে সন্দেহজনক লঙ্ঘনের বিষয়ে জানাতে বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এসএস

[ad_ujVHoYsI]

[ad_nfYePqtZ]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত