শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

ফটিকছড়ি জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশে বক্তারা

‘জুলাই অভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই’

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই অভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণে এক গণমিছিল ও সামাবশে করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফটিকছড়ি থানা শাখার নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে বিশাল এই গণমিছিলটি ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে বিবিরহাট বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্টেশনে এক সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় জামায়াতের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও শ্লোগানে গোটা এলাকা মুখরিত করে তোলে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান ছিল দেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এটি ছিল জনমতের প্রতি সম্মান এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। ইসলামপন্থী জনগণ এবং জামায়াতে ইসলামী সেই সময় এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।”

বক্তারা বলেন, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে। পাশাপাশি দেশের সর্বস্তরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর সাত দফা দাবির গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা জনগণকে তা বাস্তবায়নে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন ফটিকছড়ি থানা আমীর নাজিম উদ্দিন ইমু।

দলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ বিন সিরাজ সঞ্চলনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, এজহারুল ইসলাম, এডভোকেট ইসমাইল গনি, মাওলানা নুরুল আলম আজাদ, এডভোকেট আলমগীর মুহাম্মদ ইউনূস, বায়েজিদ হাসান মুরাদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি গাজী বেলাল উদ্দিন, সেলিম উদ্দিনসহ থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। গণমিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

[Image not available]
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

সম্পর্কিত