বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

কাশ্মীরি মরিচ ও বাসী খাবার, রাঙামাটিতে জরিমানা ৩ রিসোর্টে

রাঙামাটি প্রতিনিধি

আমদানি ও অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার, কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে বাসী খাবার সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রক্রিয়াজাত করার অভিযোগে রাঙামাটির তিনটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

৭ অক্টোবর, বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে বার্গী লেকভ্যালী রিসোর্টকে কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা বাসী খাবার সংরক্ষণ, অনুমোদন ও আমদানি ছাড়াই অবৈধভাবে কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহার এবং কটেজের রুমভাড়া ও খাবারের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করার অভিযোগে জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া রিসাং রিসোর্টকে কটেজের রুমভাড়া ও খাবারের মূল্যতালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন না করা এবং অনুমোদন ও আমদানি ছাড়া কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহারের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, রেং রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রক্রিয়াজাত করা, রান্নাঘরে খাবার তৈরির উপকরণের ওপর মাকড়সার জাল এবং একাধিক মাকড়সার উপস্থিতি পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামজিদ রহমান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে।

অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাঙামাটির সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ বলেন, একাধিক অপরাধে তিনটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন কিংবা খাদ্য সংরক্ষণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএস

[ad_nfYePqtZ]

সম্পর্কিত